Showing posts with label Bangla. Show all posts
Showing posts with label Bangla. Show all posts

কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে প্রায়! ডাক্তার বলছে ডায়ালাইসিস করতে হবে ? জানেন কি এর চেয়েও ভালো এবং নিশ্চিত আরোগ্যকারী চিকিৎসা রয়েছে বাংলাদেশেই।

কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে প্রায়! ডাক্তার বলছে ডায়ালাইসিস করতে হবে ? জানেন কি এর চেয়েও ভালো এবং নিশ্চিত আরোগ্যকারী চিকিৎসা রয়েছে বাংলাদেশেই। কিডনি যখন নিজস্ব কোনো রোগে আক্রান্ত হয়, অথবা অন্য কোনো রোগে কিডনি আক্রান্ত হয়, যার ফলে কিডনির কার্যকরতা তিন মাস বা ততধিক সময় পর্যন্ত লোপ পেয়ে থাকে, তখন তাকে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ বলা হয়। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে যদি কিডনি রোগ ছাড়াও কিডনির কার্যকরতা লোপ পায়, তাহলেও তাকে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ বলা যেতে পারে। যেমন, ক্রনিক নেফ্রাইটিস কিডনির ফিল্টারকে আক্রমণ করে ক্রমান্বয়ে কিডনির কার্যকরতা কমিয়ে ফেলতে পারে। ফলে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ হতে পারে। ঠিক তেমনি ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ কিডনি রোগ না হওয়া সত্ত্বেও কিডনির ফিল্টার/ছাঁকনি ধ্বংস করতে পারে। আবার কারও যদি জন্মগতভাবে কিডনির কার্যকরতা কম থাকে, অথবা কিডনির আকার ছোট বা বেশি বড় থাকে, তাহলেও দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ হতে পারে।

কিন্তু যেকারণেই আপনার কিডনি নষ্ট হয়ে যাকনা কেন এর রয়েছে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন সর্বাধুনিক ও সফল হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা। যা আপনার কিডনি রোগ নির্মূল করে আবার আপনাকে পরিপূর্ণ সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনবে। ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন এখনই
আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।
সতর্কতা : 
  • ডায়ালাইসিস করার আগে আসতে হবে। 
  • আসার সময় পূর্বের করা সব ডাক্তারি রিপোর্ট সঙ্গে আনতে হবে।
Share:

প্রশ্রাবের সময় জ্বালাপোড়া বা প্রশ্রাবের রাস্তায় ইনফেকশন সমস্যা ১০০% কার্যকরী সমাধান

প্রশ্রাবের সময় জ্বালাপোড়া বা প্রশ্রাবের রাস্তায় ইনফেকশন সমস্যা ১০০% কার্যকরী সমাধান। মূত্রনালীর প্রদাহকে ইংরেজিতে ইউরেথ্রাইটিস বলে। মূত্রনালীতে গনোকক্কাস নামক রোগের জীবানু প্রবেশ করে এই জাতীয় রোগের সৃষ্টি করতে পারে। তবে এটি অন্য ধরনের ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস দ্বারাও ঘটতে পারে। আবার কখনো কখনো কোনো প্রকার সংক্রমণ ছাড়াও ঘটতে পারে যেমন - মূত্রনালীতে আঘাত পেলে বা কোনো প্রকার অপারেশন হলে প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে। গনোরিয়া, সিফিলিস ইত্যাদি রোগের কারণে এটি দেখা দিতে পারে। এর জন্য সর্বাধিক কার্যকর হলো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন সর্বাধুনিক ও সফল হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা। কাল বিলম্ব না করে ডাক্তারকে ফোন করুন। ধন্যবাদ ।
আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।
Share:

মুখে কালো দাগ, রাতে যা করলে চিরতরে মিশে যাবে!

অনেকের মুখে জায়গায় জায়গায় হালকা কালো দাগ রয়েছে। সুন্দর মুখে বিশ্রী এ রকম কালো দাগ কার ভালো লাগে বলেন? মুখে নামি-দামি ক্রিম ও ফেসওয়াস ব্যবহার করেও কোনও উপকার হয়নি। তাহলে এখন কী করলে এই দাগগুলো দূর করা যাবে?

বিশেষজ্ঞের মতে, হরমোনের ভারসাম্যের অভাব, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি, ব্রণের সমস্যা, লিভারের সমস্যা, বয়সের কারণে, দুশ্চিন্তা, গর্ভাবস্থায়, ক্যান্সার, ডায়াবেটিস ও অতিরিক্ত রাসায়নিক পণ্যের ব্যবহারে মুখে জায়গায় জায়গায় হালকা কালো দাগ হয়।

তবে বিশেষজ্ঞরা এ নিয়ে চিন্তা করতে নিষেধ করেছেন। তাদের মতে, ঘরোয়া কিছু উপকরণ ব্যবহারে চিরতরে আপনার মুখের কালো দাগ দূর করা সম্ভব। আসুন তাহলে বিস্তারিত জেনে নিই :

টক দই : কালো দাগের ওপর টক দই লাগান। শুকানোর জন্য অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফল পেতে চাইলে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে টক দই কালো দাগের ওপর লাগিয়ে রাখুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
লেবু : তুলার বলটি লেবুর রসে ভিজিয়ে নিন। এবার এটি মুখের কালো দাগের ওপর ঘষুন। ৩/৪ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দুই সপ্তাহ ব্যবহার করুন। দেখবেন কালো দাগ দূর হয়ে গেছে।

লেবুতে ভিটামিন সি আছে এবং এর প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান আছে যা ত্বকের কালো দাগ দূর করে।

আলু ও মধু : একটি ছোট আলু মিহি করে বেটে নিন। এর সঙ্গে এক চামুচ মধু মেশান। এবার প্যাকটি মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া এক টুকরা আলু নিয়ে ত্বকের কালো জায়গা ঘষুন। নিয়মিত এই কাজটি করলে দেখবেন কালো দাগ একদম দূর হয়ে গেছে।

অ্যালোভেরা : রূপচর্চায় অ্যালোভেরার গুণের কথা সবার জানা। অ্যালোভেরা পাতা থেকে জেল বের করে নিন। এবার জেলটি ত্বকের কালো দাগের ওপর ম্যাসাজ করুন। সপ্তাহে দুইবার এটি করুন। দেখবেন দাগ অনেকটা হালকা হয়ে গেছে।

তুলসি : মুখের কালো দাগ দূর করতে হলে তুলসি পাতা পানিতে ফোটান। তারপর সেই পানি ঠাণ্ডা করে মুলতানি মাটি মিশিয়ে একটা প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি মুখে লাগিয়ে শুকানোর জন্য অপেক্ষা করুন। পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু’বার এই পদ্ধতি ফলো করুন।
Share:

জেনে নিন পেঁপে আমাদের শরীরের জন্য কত উপকারী

শরীরের জন্য ফলের থেকে বেশি উপকারী আর কোনও খাবারই নেই। ফলেই সারে বিভিন্ন অসুখ। ওষুধ ছাড়াই বিভিন্ন রোগ সেরে যায় শুধুমাত্র ফল থেকেই। এমনকি ক্যানসারও। পেঁপে এমন একটা ফল, যা খেতে ভালোবাসেন না, এমন মানুষ নেই। পেঁপেতে অনেক উপকারী উপাদান রয়েছে। আমাদের শরীরের বিভিন্ন ঘাটতি পূরণ করে পেঁপে। প্রচুর পরিমানে ভিটামিন, মিনারেলস এবং প্রাকৃতিক স্বাস্থ্যকর উপাদান রয়েছে। পেঁপে আমাদের শরীরের কী কী উপকার করে জেনে নিন-

১) হজমের উপকারের জন্য পেঁপে খুবই উপকারী। হজমের সমস্যার জন্য আমাদের আর্থারাইটিস, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দেয়। পেঁপে হজমের সমস্যা দূর করে আমাদের এই সমস্ত রোগের হাত থেকে রক্ষা করে।


২) অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা বহু মানুষের রয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে আমাদের অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে পেঁপে। সকালে টিফিনে কিংবা সন্ধেবেলা টিফিনে একবাটি করে পেঁপে খেলে তা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী।

৩) অন্ত্রের কৃমি রোধ করে পেঁপে। যার ফলে আমাদের শরীর বিভিন্ন ইনফেকশনের হাত থেকে রক্ষা পায়।

৪) আমরা হয়তো অনেকেই জানি না, দাঁতের যন্ত্রণার অব্যর্থ ওষুধ হল পেঁপে।
৫) গবেষকেরা আবিস্কার করেছেন যে, পেঁপেতে এমন কিছু স্বাস্থ্যকর উপাদান রয়েছে, যা ক্যানসার প্রতিরোধ করতেও সাহায্য করে। স্তন ক্যানসার, প্যানক্রিয়েটিক ক্যানসার, এবং অন্যান্য ক্যানসারেরও অব্যর্থ ওষুধ পেঁপে।

৬) ত্বকের জন্য পেঁপে কতটা উপকারী তা এখন আমরা অনেকেই জেনেছি। ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে, একজিমা রোধ করতে, এবং ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে পেঁপে খুবই উপকারী।

৭) পেঁপের দানা হৃদপিণ্ডের জন্য খুবই উপকারী। ভিটামিন এ, সি এবং ই রয়েছে পেঁপের দানায়। যা রক্ত পরিশুদ্ধ করতে, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক রোধ করতে, কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক রাখতে সাহায্য করে।

৮) অ্যাকনে এবং অ্যাকনের দাগ দূর করতে এমনকি পোড়ার দাগও দূর করে পেঁপে।

৯) ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই থাকার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পেঁপে খুবই উপকারী।

১০) আর্থারাইটিস, অস্টিও আর্থারাইটিস দূর করতে সাহায্য করে পেঁপে।

১১) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে পেঁপে।
Share:

ভ্যাসলিনের ১০টি ব্যতিক্রমী ব্যবহার যা জানলে অবাক হয়ে যাবেন

অনেকেই হয়তো জানেন না ভ্যাসলিন কতোটা কাজে লাগে? শুধু এর সীমিত ব্যবহারই আমরা জানি। এই জিনিসটি অনেক কাজেই ব্যবহার করা সম্ভব।চলুন, জেনে নিই ভ্যাসলিনের এমন কিছু ব্যবহার সম্পর্কে

১) চুলের আগা ফেটে যাওয়া প্রতিরোধ:- দুই আঙ্গুলে কিছুটা ভেসলিন নিয়ে চুলের ডগায় লাগিয়ে রাখুন। তবে খেয়াল রাখতে হবে পরিমাণে যেন খুব বেশি না হয়।

২) দাঁতে লিপস্টিক লাগা প্রতিরোধে:- অনেক সময়ই দাঁতে লিপস্টিক লেগে যায়। তাই মেকআপের আগে সামান্য ভ্যাসেলিন দাঁতে লাগান। দাঁত দেখতে হবে সাদা এবং লিপস্টিকও আর লাগবেনা।

৩) নেইল পলিশের মুখ খুলতে:- অনেক সময় নেইল পলিশের মুখ শক্ত হয়ে আটকে যায় খোলা রীতিমত অসম্ভব। সামান্য ভ্যাসেলিন নেইল পলিশের ক্যাপের মুখের নিচে লাগিয়ে রাখুন। সহজে খুলে যাবে।

৪) চোখের পাপড়ির ঘনত্ব বাড়াতে:- রাতে ঘুমানোর আগে চোখের পাতায় সামান্য কিছুটা ভ্যাসেলিন লাগিয়ে নিন। কিছুদিন পর দেখুন চমক।

৫) পারফিউমের গন্ধ দীর্ঘস্থায়ী করতে:- গলায়, ঘাড়ে, হাতে বা যেখানে সাধারণত পারফিউম দেয়া হয় সেখানে খুব সামান্য ভ্যাসেলিন মেখে নিয়ে পারফিউম স্প্রে করলে গন্ধটা দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হয়।
৬) পায়ের গোড়ালী ফাটা রোধ করে:- লোশন বা ক্রিমের বদলে অনেকেই ভ্যাসেলিন ব্যবহার করে থাকেন। তবে জানেন না যে গোড়ালি ফাটা দূর করতেও ভ্যাসেলিন দারুণ কাজে আসে। পা ভালো করে ঘষে পরিস্কার করে নিয়মিত ভেসলিন মেখে মোজা পড়ে রাখলে খুব সহজেই এই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

৭) জুতার উজ্জলতা বৃদ্ধিতে:- জরুরি কোন কাজে পরিপাটি হতে হবে কিন্তু হাতের কাছে পলিশ নেই। কোন চিন্তা নেই! সামান্য ভ্যাসেলিন নিয়ে জুতা ভাল করে কাপড় দিয়ে মুছে নিন। নতুনের মত ঝকঝকে হয়ে যাবে।

৮) চুলের রঙের দাগ তুলতে:- অনেক সময় সাদা চুল কালো রঙ করতে গিয়ে কপালে, কানে এসব স্থানে লেগে যায়। সেই দাগ সহজে তোলাটাও কষ্টকর হয়ে যায়। তখন সামান্য কিছুটা ভেসলিন নিয়ে লেগে থাকা দাগের উপর লাগিয়ে কিছুক্ষন রেখে ধুয়ে ফেলুন। দাগ উঠে যাবে।

৯) শেভ করার পর ত্বকের আর্দ্রতা আনতে:- শেভ করার পর মুখে শুষ্ক ভাব চলে আসে। সেটা থেকে রেহাই পেতে সামান্য ভ্যাসেলিন মুখে মেখে নিন।

১০) ত্বকের মরা কোষ দূর করতে:- ভ্যাসেলিনের সাথে সামান্য সামুদ্রিক লবন মিশিয়ে পুরো শরীর স্ক্রাব করে গোসল করলে দেহের ত্বক হয়ে উঠবে সতেজ ও মসৃন।
Share:

বিছানায় শুয়ে মোবাইল ঘাঁটা অভ্যেস? এই খবর পড়ার পরে আর সেই সাহস করবেন না

স্মার্টফোনের যুগে মোবাইল মানুষের নিত্যসঙ্গী। একটা মুহূর্তও যেন মোবাইলটি হাত-ছাড়া করল চলে না। কাজে-অকাজে মোবাইল ঘাঁটার অভ্যেস এমনই নেশার স্তরে চলে গিয়েছে যে, বহু মানুষ রাত্রে বিছানায় ঘুমোতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত মোবাইল নিয়ে খুটখাট করেই যান। আর এই অভ্যাসেই রয়ে যাচ্ছে গুরুতর বিপদের আশঙ্কা— এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।

ইউসিএলএ স্কুল অফ মেডিসিনের গবেষকরা একটি সমীক্ষা তথা গবেষণার শেষে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিছানায় শুয়ে মোবাইল ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার অভ্যাস স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। ঠিক কী ধরনের ক্ষতি হয় এর ফলে? গবেষকদলের প্রধান ডাক্তার ড্যান সিগাল এই প্রশ্নের উত্তরে বলছেন, ‘আসলে মোবাইল ফোনের স্ক্রিন থেকে যে নীল ও সাদা আলো বিচ্ছুরিত হয়, তা মানুষের মস্তিস্ক থেকে মেলাটোনিন নামের হরমোনের ক্ষরণে বাধা দেয়। আর এই হরমোনই শরীরকে ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করে। ফলে স্বভাবতই সেই মেলাটোনিন ক্ষরণে যদি বাধা সৃষ্টি হয়, তাহলে অনিদ্রা এবং ঘুমের অভাব দেখা দেয়।’

কিন্তু ঘুম কম হলেই বা ক্ষতি কী? সেই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের একটি রিপোর্ট। সেই রিপোর্টে জানানো হচ্ছে, যাঁরা দিনে আট ঘণ্টার কম ঘুমোন, তাঁদের অস্বাভাবিক মৃত্যুর সম্ভাবনা ১৫ শতাংশ বেড়ে যায়। অর্থাৎ ঘুমনোর আগে মোবাইল ঘাঁটার অর্থ— কার্যত অস্বাভাবিক এবং অকাল মৃত্যুকে কাছে ডেকে আনা।
ডাক্তার সিগাল বিস্তারিত ব্যাখ্যা-সহ জানান, ‘‘মোবাইল স্ক্রিন থেকে যে ফোটন-প্রবাহ চোখের দিকে আসে, তা আমাদের মস্তিস্কে ক্রমাগত এই বার্তা পাঠায় যে, ‘জেগে থাকো’। তার ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। অর্থাৎ ঘুম কমে যায়, অথবা প্রয়োজনীয় গভীর ঘুম থেকে বঞ্চিত হয় শরীর। তার ফলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়। ডায়বেটিস, স্থূলতা, হার্টের রোগ এমনকী ক্যানসারের সম্ভাবনা পর্যন্ত নিদ্রাল্পতার কারণে বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও ক্লান্তি, অবসাদ কিংবা যৌন ইচ্ছা হ্রাসের মতো সমস্যাও দেখা দেয়।’’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, একটি পৃথক সমীক্ষায় সম্প্রতি দেখা গিয়েছে, অনিদ্রায় ভোগা হাজার জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মধ্যে ৮৫০ জনেরই ঘু‌ম না-হওয়া বা ঘুম কম হওয়ার প্রধান কারণ মোবাইল ফোন। কাজেই আর দেরি নয়, আজই নিজেকে মুক্ত করুন বিছানায় শুয়ে মোবাইল ঘাঁটার বদভ্যাস থেকে। প্রাণায়াম, ধ্যান, কিংবা অন্য কোনও রিল্যাক্সেশন এক্সারসাইজ মোবাইল ঘটিত এই সমস্যা থেকে মুক্তির দিশা দেখাতে পারে বলে মনে করছেন মনোবিদরা। -এবেলা
Share:

যেভাবে বাচ্চা নষ্ট করা হয়! লেখাটা পড়লে আপানার চোখে পানি চলে আসবে নিশ্চিত!!

বাচ্চা নষ্ট করার সব পদ্ধতিতেই এক ধরণের লম্বা নল জরায়ুতে ঢুকিয়ে গর্ভের শিশুটিকে প্রথমে ক্ষত-বিক্ষত করা হয়। পরে ভ্যাকুয়াম সাকারের মাধ্যমে শিশুটিকে শুষে আনা হয়। গর্ভপাতের সময়কার শিশুটির অব্যাক্ত বেদনা কারো কানে পৌঁছে না। মানুষ নামের নরপশুর নির্মমতায় একটি নিষ্পাপ শিশু মৃত মাংসপিণ্ডে পরিণত হয়। যেসব মা ক্ষণিকের সুখের জন্য নিজ গর্ভের সন্তানকে হত্যা করে তাদের জন্য হৃদয় উগড়ে দেয়া সীমাহীন ঘৃণা।

Abortion জিনিস টা কি??  নিচে একটু পড়ে দেখুন হৃদয়হীন মানুষের হৃদয়েও কমপনের সৃষ্টি হবে।। 

লেখাটা লিখতে গিয়ে কতবার যে হাত কেপেছে পড়ে দেখুন….,
নিজের বিবেকে নাড়া দেয় কিনা !!?

প্রথম মাস – হ্যালো আম্মু…..!! কেমন আছো তুমি? জানো আমিএখন মাত্র ৩-৪ইঞ্চি লম্বা!! কিন্তু হাত-পা সবই আছে তোমার কথা শুনতে পাই, ভালো লাগে শুনতে।

দ্বিতীয় মাস – আম্মু, আমি হাতের বুড়ো আঙ্গুল চুষা শিখেছি, তুমি আমাকে দেখলে এখন বেবি বলবে! বাইরে আসার সময় এখনো হয়নি আমার, এখানেই উষ্ণ অনুভব করি খুব।

তৃতীয় মাস – আম্মু তুমি কি জানো আমি যে একটা মেয়ে? পরী পরী লাগবে আমাকে, আমাকে দেখলে তুমি অনেক খুশি হবে, তুমি মাঝে মাঝে কাঁদো কেনো আম্মু ? তুমি কাঁদলে আমারও কান্না পায়…

চতুর্থ মাস – আমার মাথায় ছোট্ট ছোট্ট চুল গজিয়েছে আম্মু আমি হাত-পা ভালো ভাবে নাড়াতে পারি, মাথা নাড়াতে পারি, অনেক কিছুই করতে পারি।
পঞ্চম মাস – আম্মু তুমি ডক্টরের doctor কাছে কেনো গিয়েছিলে? কি বলেছে ডক্টর? আমি তার কথা শুনতে পারিনি, তোমার কথা ছাড়া আমি কারো কথা শুনতে পারিনা।

ষষ্ঠ মাস – আম্মু আমি অনেক ব্যথা পাচ্ছি আম্মু, ডক্টর সুঁচের মতো কি যেনো আমার শরীরে ঢুকাচ্ছে, ওদের থামতে বলো আম্মু আমি তোমাকে ছেড়ে কথাও যাবোনা আম্মু…

সপ্তম মাস – আম্মু কেমন আছো? আমি এখন স্বর্গে আছি, একটা এন্জেল আমাকে নিয়ে এসেছে, এন্জেল বলেছে তোমাকে Abortion করতে হয়েছে, তুমি আমাকে কেনো চাওনি আম্মু?

প্রতিটি Abortion মানে একটি হৃদস্পন্দন থেমে যাওয়া… একটি হাসি থেমে যাওয়া… দুটি হাত, যা কখনো কাউকে স্পর্শ করতে পারবেনা… দুটি চোখ, যা পৃথিবীর আলো দেখবেনা
Share:

ঘন ঘন প্রস্রাব মানেই ডায়াবেটিস নয় ! ঘন ঘন প্রসাব হওয়ার কারণ ও প্রতিকার কি?

ঘন ঘন প্রস্রাব বা বারবার বাথরুমে যাওয়া—এই উপসর্গ দেখা দিলে সবাই শঙ্কিত হন। তার মানে কি ডায়াবেটিস হয়েছে? বয়স্ক ব্যক্তিদের বারবার বাথরুম যাওয়ার প্রবণতা বেশি। গর্ভবতী নারীরাও এ সমস্যায় ভোগেন। জেনে রাখুন, ডায়াবেটিসের একটি অন্যতম লক্ষণ হলেও ঘন ঘন বা অধিক প্রস্রাব অন্যান্য সমস্যায়ও হতে পারে।

একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি দিনে চার থেকে আটবার মূত্রত্যাগ করে থাকেন। পরিমাণ যা-ই হোক না কেন, দিনে আটবারের বেশি প্রস্রাব করলে তাকে ঘন ঘন প্রস্রাব হিসেবে গণ্য করা হয়।

বিভিন্ন বয়সে প্রস্রাবের স্বাভাবিক পরিমাণ বিভিন্ন। তবে স্বাভাবিক অবস্থায় কোনো পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির প্রস্রাবের পরিমাণ ২৪ ঘণ্টায় তিন লিটার বা এর অধিক হলে তা অস্বাভাবিক এবং একে পলিইউরিয়া বলা হয়।

ঘন ঘন প্রস্রাব বা অধিক পরিমাণ প্রস্রাব—উপসর্গ দুটো আলাদা। অনেক ক্ষেত্রেই এ দুটো একসঙ্গে দেখা যায়। কেননা প্রস্রাবের পরিমাণ বেড়ে গেলে প্রস্রাব ঘন ঘন হয়ে থাকে।
অনেক সময় ঘন ঘন প্রস্রাবের মূল কারণ হলো শুধু অধিক বা অস্বাভাবিক পরিমাণে পানি বা পানীয় গ্রহণ। একে সাইকোজেনিক পলিডিপসিয়া বলা হয়।

কিছু ক্ষেত্রে স্বাভাবিক কারণেই বেশি প্রস্রাব হতে পারে। যেমন: অতিমাত্রায় পানীয় বা অ্যালকোহল সেবন, ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় গ্রহণ, শীতকালে যখন ঘামের পরিমাণ কমে যায়, গর্ভাবস্থায়, প্রস্রাব বৃদ্ধিকারক ওষুধ সেবন, ১০ হাজার ফুট ওপরে ভ্রমণের সময়, অধিকমাত্রায় ভিটামিন সি ও বি২ গ্রহণ ইত্যাদি।

ঘন ঘন বা অধিক প্রস্রাবের কারণ:-
  • ডায়াবেটিস ছাড়া অন্য যেসব কারণে ঘন ঘন প্রস্রাব হয়, তা হলো:
  • মূত্রনালি বা মূত্রথলির সংক্রমণ।
  • গর্ভকালীন প্রথম ও শেষ দিকে।
  • বয়স্ক পুরুষদের প্রস্টেট গ্রন্থির সমস্যায়।
  • স্ট্রোক ও অন্যান্য স্নায়ুরোগ, মূত্রথলির স্নায়ুবিকলতা, মূত্রথলির ক্যানসার ইত্যাদি।
  • মস্তিষ্কের টিউমার, বিকিরণ, সার্জারি, আঘাত, কিডনি রোগ ইত্যাদি কারণে মূত্র নিয়ন্ত্রক এডিএউচ হরমোনের অভাব বা অকার্যকারিতা দেখা দেয়।
  • থাইরয়েড হরমোন বা করটিসল হরমোনের আধিক্য।
  • রক্তে ক্যালসিয়াম বা পটাশিয়ামের তারতম্য।
ঘন ঘন প্রস্রাব বা অধিক পরিমাণ প্রস্রাব কোনো রোগ নয় বরং রোগের উপসর্গমাত্র। এর কারণে শরীরে পানিশূন্যতা, পানির ভারসাম্যহীনতা, লবণের ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হতে পারে। তাই এ সমস্যায় আক্রান্ত হলে অবশ্যই ডায়াবেটিস বা অন্যান্য সমস্যা আছে কি না, তা পরীক্ষা করে নেওয়া জরুরি। 
Share:

যে কাজ করলে স্তনের আকৃতি অনেক বয়স পর্যন্ত সুন্দর থাকে!

বক্ষযুগলকে সুন্দর রাখতে মহিলাদের চেষ্টার অন্ত নেই, অথচ প্রতিনিয়ত তাঁদেরই কিছু ভুলে ক্রমশ সৌন্দর্য হারাচ্ছে শরীরের এই অঙ্গটি। জেনে নিন ৬টি এমন ভুলের কথা, যেগুলোর ফলে আপনার স্তনে পড়ছে বয়সের ছাপ ও নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক আকৃতি ও সৌন্দর্য।

একটি বড় কারণ সঠিক অন্তর্বাস বাছাই করতে না পারা:- সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিসার্চের রিপোর্টে বলা হয়েছে, যারা প্রতিনিয়ত অন্তর্বাস পড়ে থাকেন তাঁদের তুলনায় যেসব নারীরা খুব বেশি অন্তর্বাস পরিধান করেন নি, তাঁদের স্তনের আকৃতি অনেক বয়স পর্যন্তও সুন্দর থাকে। অপর আরেকটি রিসার্চে দেখা যায় যে ভুল মাপের অন্তর্বাস দ্রুত নষ্ট করে ফেলে আপনার স্তনের আকৃতি। অন্তর্বাস হতে হবে সঠিক মাপের। খুব বেশী টাইট বা খুব ঢিলেঢালা, দুটোই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।

আপনি পর্যাপ্ত পানি পান করেন না:- পর্যাপ্ত জল পান না করলে ক্রমশ বয়সের ছাপ পড়ে আপনার ত্বকে এবং ত্বকের চামড়া ঝুলে যেতে থাকে সময়ের অনেক আগেই। এবং হ্যাঁ, শুধু মুখের নয়, সম্পূর্ণ শরীর তথা স্তনের ত্বকেও এর প্রভাব দেখা যায় অত্যন্ত বেশি।

অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে বাঁচুন:- সুতির পোশাক কিংবা পাতলা ফেব্রিক পরতে ভালোবাসেন? জেনে রাখুন, প্রখর সূর্যরশ্মি আপনার মুখের ত্বকের পাশাপাশি সম্পূর্ণ ত্বকেরই ক্ষতি করে। পোশাকে ঢাকা থাকলেও সূর্যের রশ্মি আপনার ত্বকে উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। তাই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলবেন না। বিশেষ করে স্তনের নরম ত্বকে। সূর্যের প্রখর উত্তাপ বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে অনেক ত্বরান্বিত করে দেয়।

আপনি ধূমপান করেন:- ধূমপান মানবদেহের জন্য একটি অভিশাপের নাম এবং নারীদের ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পুরুষের চাইতে অনেকটাই বেশী। ধূমপান আপনার ত্বকের ইলাসটিনকে নষ্ট করে ফেলে, যা ত্বকে টানটান ভাব ও তারুণ্য ধরে রাখে। ফলে আপনাকে দেখায় অনেক বেশী বয়স্ক। ধূমপায়ী নারীদের স্তনের আকৃতি ও সৌন্দর্য দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।
আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে নেই:- ওজন কমানো ভালো, তবে ওজন কমে যাওয়ার প্রভাব সবার আগে পড়ে আপনার স্তনের উপর। কেননা স্তন তৈরি মূলত ফ্যাট সেল দিয়ে, তাই ওজন কমলে প্রথমেই স্তনে এর প্রভাব দেখা যায়। আপনি যখন বেশি মোটা হন, ত্বকে স্ট্রেচ হতে হতে ইলাসটিসিটি হারিয়ে ফেলে। পরে পরবর্তীতে আপনি যখন স্লিম হয়ে যায়, তখন স্তন ঝুলে যায়। দ্রুত ওজন না কমিয়ে ধীরে সুস্থে কমাতে হবে এবং ওজন খুব দ্রুত ওঠানামা করতে দেয়া যাবে না। অল্প অল্প করে ওজন কমালে স্তনের আকৃতি অনেকটাই কম নষ্ট হবে।
Share:

কালিজিরার তেল দিলে কি হয় দেখুন

সর্বরোগের মহাওষুধ কালিজিরা। মৃত্যু ব্যতিত সকল রোগ থেকে মুক্তি পেতে কালিজিরার কথা ইসলামেও রয়েছে।কালিজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।

কালিজিরার অন্যতম উপাদানের মধ্যে আছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন ও স্থায়ী তেল। এতে আরও আছে আমিষ, শর্করা ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিডসহ নানা উপাদান। পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি।
এর মধ্যে রয়েছে ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশক বিভিন্ন উপাদান সমূহ। এতে রয়েছে ক্যন্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক

কালিজিরার তেল এ প্রাকিতিক শক্তি আছে তাই এটির জন্য কালিজিরার তেল লিঙ্গে মাখলে সহজে বীর্যপাত হয় না এবং লিঙ্গ অনেক বেশি শক্ত হয়।

পুরুষাঙ্গ প্রতিদিন কালিজিরার তেল দিয়ে মালিশ করলে, পুরুষাঙ্গ শক্ত ও মোটা হতে পারে।

সবসময় পুষ্টিকর খাবার খান কারন প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারেই যৌনক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব। আর কিছু সেক্সফুড আছে যা সত্যিই যৌনক্ষমতা বাড়ায় ওগুলো খাবেন।
আসলে লিঙ্গ মোটা করা কিংবা লম্বা করার মত কোনো ব্যাবস্থা এখনো পর্যন্ত তৈরি হয়নি। আপনি যদি লিঙ্গ মোটা করার জন্যে কোনো কিছু করতে চান তাহলে সেটা আপনার জন্যে বিপদও ডেকে আনতে পারে।
সবসময় পুষ্টিকর খাবার খান কারন প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারেই যৌনক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব। আর কিছু সেক্সফুড আছে যা সত্যিই যৌনক্ষমতা বাড়ায় ওগুলো খাবেন।

কালিজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।

কালিজিরার অন্যতম উপাদানের মধ্যে আছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন ও স্থায়ী তেল। এতে আরও আছে আমিষ, শর্করা ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিডসহ নানা উপাদান।

পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি।


এর মধ্যে রয়েছে ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো- হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশক বিভিন্ন উপাদান সমূহ।

এতে রয়েছে ক্যন্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।

কালি জিরার স্বাস্থ্যগুন: তিলের তেলের সাথে কালিজিরা বাঁটা বা কালিজিরার তেল মিশিয়ে ফোড়াতে লাগালে ফোড়ার উপশম হয়।

অরুচি, উদরাময়, শরীর ব্যথা, গলা ও দাঁতের ব্যথা, মাইগ্রেন, চুলপড়া, সর্দি, কাশি, হাঁপানি নিরাময়ে কালিজিরা সহায়তা করে। ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসাবে কালিজিরা সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

চুলপড়া, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, মাথা ঝিমঝিম করা, মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্কিয়তা ও অলসতা, আহারে অরুচি, মস্তিষ্কশক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়াতেও কালোজিরা উপযোগী।

মাথা ব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তি স্থানে দৈনিক ৩/৪ বার কালোজিরা তেল মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়।

কালোজিরা চূর্ণ ও ডালিমের খোসাচূর্ণ মিশ্রন, কালোজিরা তেল ডায়াবেটিসে উপকারী।

চায়ের সাথে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল বা আরক মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হয়, তেমনি মেদ ও বিগলিত হয়।

মধুসহ প্রতিদিন সকালে কালোজিরা সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও সকল রোগ মহামারী হতে রক্ষা পাওয়া যায়।

জ্বর, কফ, গায়ের ব্যথা দূর করার জন্য কালিজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু। এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায়।0

সন্তান প্রসবের পর কাঁচা কালিজিরা পিষে খেলে শিশু দুধ খেতে পাবে বেশি পরিমাণে।

কালিজিরায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোরিয়াল এজেন্ট, অর্থাৎ শরীরের রোগ-জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান। এই উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোড়া, সংক্রামক রোগ (ছোঁয়াচে রোগ) হয় না।

কালিজিরা মেধার বিকাশের জন্য কাজ করে দ্বিগুণ হারে। কালিজিরা নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক।

দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালিজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে; জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে।

কালিজিরা কৃমি দূর করার জন্য কাজ করে।

দেহের কাটা-ছেঁড়া শুকানোর জন্য কাজ করে।

কালোজিরার যথাযথ ব্যবহারে দৈনন্দিন জীবনে বাড়তি শক্তি অজির্ত হয়। এর তেল ব্যবহারে রাতভর প্রশান্তিপর্ন নিদ্রা হয়।
প্রস্রাব বৃদ্ধির জন্য কালিজিরা খাওয়া হয়।

বহুমুত্র রোগীদের রক্তের শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং নিম্ন রক্তচাপকে বৃদ্ধি করে ও উচ্চ রক্তচাপকে হ্রাস করে।

মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মরণ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
Share:

নরমাল ডেলিভারি চান? তাহলে জেনে নিন গর্ভাবস্থায় আপনাকে কি করতে হবে!

প্রেগন্যান্সি গ্লো-তে এখন চকচক করছে আপনার চোখ, মুখ। মা হওয়ার অনুভূতি সব সময় আনন্দে রাখছে আপনাকে। চিন্তা শুধু একটা বিষয় নিয়েই। নরমাল ডেলিভারি হবে তো? নাকি সেই কাঁটাছেঁড়ার মধ্যে দিয়েই যেতে হবে?

চিন্তা করবেন না। যদি আপনার বড়সড় কোনও জটিলতা না থাকে তবে গর্ভাবস্থায় কিছু জিনিস মেনে চললেই স্বাভাবিক ভাবে সন্তানের জন্ম দিতে পারবেন।

ডায়েট:- আপনি প্রেগন্যান্ট জানার পর থেকে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ডায়েট মেনে চলুন। স্বাস্থ্যকর খাবার, টাটকা ফল ও শাক-সবজি প্রচুর পরিমাণে খান। সেই সঙ্গেই জোর দিন আয়রন, ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের উপর। নিয়মিত মাল্টিভিটামিন খান। শরীরের পেশি যত শিথিল থাকবে, তত নরমাল ডেলিভারির সম্ভাবনা বাড়বে।

অ্যাকটিভ লাইফস্টাইল:- অনেকে প্রেগন্যান্সির গোটা সময়টাই শুয়ে বসে কাটিয়ে দেন। এটা একেবারেই উচিত্ নয়। যদি চিকিত্সক আপনাকে বেড রেস্টে থাকতে না বলেন, এবং অন্য কোনও জটিলতা না থাকে তাহলে সচল থাকুন। বাড়ির হালকা কাজকর্ম করুন। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে যোগাসন বা হালকা ব্যয়াম করুন। সকাল, সন্ধে হাঁটতে যান। এতে ওজন কম থাকবে, শরীর সুস্থ থাকবে, নরমাল ডেলিভারির চান্সও বাড়বে।
পানি:- শরীরে ফ্লুইড চলাচল ভাল হওয়ার জন্য জল খাওয়া খুব জরুরি। এতে রক্ত চলাচল ভাল হয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হয় না। কাজেই জল বেশি খেলে ডেলিভারিও অনেক সহজ হবে। গর্ভাবস্থায় প্রতি দিন ৮ থেকে ১০ গ্লাস জল খান।

স্ট্রেস:- নরমাল ডেলিভারির জন্য শরীর সুস্থ, ঝরঝরে রাখা প্রয়োজন। স্ট্রেস বাড়লেই শরীর খারাপ হবে। নিজেকে সব সময় খুশি রাখুন। প্রয়োজনে মনোবিদের কাছে যান। প্রেগন্যান্সি মাসাজ নিলেও স্ট্রেস কমে।

জন্মের পরিকল্পনা:- গর্ভাবস্থার শুরুতেই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে পরিকল্পনা করে নিন। আপনার সমস্যার কথা খুলে বলুন। ডাক্তারের নির্দেশ, নিয়ম মেনে চলুন। এতে চিন্তা কম হবে। গোটা ব্যাপারটাই অনেক সহজ হয়ে যাবে।

অভিভাবকদের ক্লাস:- বাচ্চার জন্মের আগে বাড়ির কাছেপিঠে কোনও পেরেন্টাল ক্লাসে যান। এই সব ক্লাসে কীভাবে সহজে, কম কষ্টে ও কম সময়ে বাচ্চার জন্ম দেওয়া যাবে শেখানো হয়।

কার্যকর হোমিও ট্রিটমেন্ট :- নির্দিষ্ট কিছু হোমিও ঔষধ রয়েছে যা নিয়মিত সেবনে নরমাল ডেলিভারি নিশ্চিত হয়। আর এর জন্য বচ্চা পেটে আসার সাথে সাথেই রেজিস্টার্ড হোমিও ডাক্তারের পরামর্শক্রমে নিয়মিত ঔষধ খেয়ে যেতে হবে। 
Share:

অবহেলা করে গেছেন বিষয়টি? ঔষধের পাতায় এই ফাঁকা জায়গাগুলি কেন থাকে? কারন শুনলে বিশ্বাস করতে পারবেন না

শুধু পাতাগুলি সুন্দরভাবে সাজানোর জন্য নয়, ওষুধের পাতায় ফাঁকা জায়গা রাখার পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। ওষুধ খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই কারণগুলিও জেনে রাখা ভাল। ওষুধ খাওয়ার সময়ে ট্যাবলেট বা ক্যাপসুলের পাতায় একটা জিনিস কখনও খেয়াল করে দেখেছেন কি? ওষুধের পাতায় দু’টি ওষুধের মধ্যে ফাঁকা জায়গা কেন রাখা হয়? অর্থাৎ দুটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল একদম গায়ে গায়ে থাকে না। একটির থেকে আর একটি ওষুধের মধ্যে সামান্য হলেও তফাত থাকে।

বিভিন্ন মহল থেকে বেশ কয়েকটি কারণের কথা বলা হচ্ছে। প্রথমত, দুটি ওষুধ একেবারে গায়ে গায়ে রাখলে কেমিক্যাল রিঅ্যাকশন হতে পারে। ফলে সেই ওষুধ খেলে সুস্থ হওয়ার বদলে রোগী উল্টে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। অনের ট্যাবলেট অথবা ক্যাপসুলে একটি মাত্র ওষুধ থাকে। ফলে, তার চারপাশে ফাঁকা জায়গা না রাখলে ওষুধের পাতার পিছনে দাম, এক্সপায়ারি ডেট, ব্যাচ নম্বর-সহ প্রয়োজনীয় তথ্য লেখার জায়গা থাকে না। তাই ওষুধের চারপাশে কিছুটা জায়গা অতিরিক্ত রাখতেই হয়।
আবার অনেক ওষুধই দোকানে পাতা থেকে কেটে খুচরো বিক্রি করা হয়। ফলে একটি অথবা দুটি ওষুধ কেটে খুচরো বিক্রি করলে ওষুধের পাতার পিছনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলিও কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ওষুধগুলির মাঝের ফাঁকা জায়গার উল্টোদিকে এক্সপায়ারি ডেট, দাম-সহ তথ্যগুলি দেওয়া হয়, যাতে পাতা থেকে কেটে খুচরো ওষুধ বিক্রি করলেও তথ্যগুলি ওষুধের পাতার পিছনে থেকে যায়।

ফলে শুধু পাতাগুলি সুন্দরভাবে সাজানোর জন্য নয়, ওষুধের পাতায় ফাঁকা জায়গা রাখার পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। ওষুধ খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই কারণগুলিও জেনে রাখা ভাল।
Share:

লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণ এক নিমিষে!! জেনে নিন কিভাবে

সৌন্দর্য চর্চায় লেবুর কোন তুলনাই হয়না। শরীরের কালো দাগ দূর থেকে থেকে শুরু করে ব্রণ কমানো কিংবা বলিরেখা নিয়ন্ত্রণ করা, সব কিছুই সম্ভব। তাই বিস্তারিত জানতে দেখে নিন বিডি রমণীর আজকের আয়োজন লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণ কৌশল। তাহলে আসুন জেনে নিই কীভাবে ব্যবহার করবেন?

১) লেবুর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদান দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। রোদে পোড়া ত্বক ঠিক করতে লেবু কার্যকর।

২) লেবুতে থাকা বিভিন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের ভাঁজ ও দাগ দূর করে। লেবুতে থাকা ভিটামিন-সি ব্রণ বা অ্যাকনে সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া দূর করে।

৩) অ্যারোমাথেরাপির ক্ষেত্রেও লেবু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। বয়সজনিত মুখের দাগ সারাতে লেবুর রস কার্যকর। লেবুর রস ব্যবহারে মুখের ব্রণও দ্রুত কমে।

৪) হাতের কনুই, হাঁটু, পায়ের গোড়ালির ময়লা দূর করতে লেবু কার্যকর। হাত ও পায়ের রুক্ষভাব দূর করতে লেবুর রসের সঙ্গে চালের গুড়ো মিশিয়ে হাত পায়ে লাগান।

৫) ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে সমপরিমাণ শসার রস ও লেবুর রস মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে তুলার সাহায্যে মুখে লাগান। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে ত্বক সতেজ হবে। মিশ্রণটি মুখে লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে যদি জ্বলে, তবে দ্রুত ধুয়ে ফেলুন। সে ক্ষেত্রে লেবু ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্ক করে ফেলতে পারে।
৬) ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করার ক্ষেত্রে লেবুর রস ও দুধের মিশ্রণও বেশ কার্যকর। একটি বড় লেবুর অর্ধেক অংশ কেটে তার রস বের করে নিন। এবার তার সঙ্গে ১০ টেবিল চামচ তরল দুধ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ধীরে ধীরে পুরো মুখে ম্যাসাজ করুন, ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। লেবু ত্বকের তেল দূর করে আর দুধ ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখে। এই মিশ্রণটি চোখের চারপাশে সাবধানে লাগাতে হবে।

৭) একটি ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে অর্ধেকটা লেবুর রস ও এক টেবিল চামচ কমলা লেবুর রস কুসুম গরম পানি দিয়ে পেস্টের মতো করে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ২০ মিনিট রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করার পাশাপাশি উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

৮) একটি বড় লেবুর অর্ধেক অংশ কেটে রস বের করে নিন। তাতে ২ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে মুখে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। ত্বকে টান টান ভাব হলে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। মধু ত্বক উজ্জ্বল করবে। লেবুর প্রাকৃতিক ব্লিচিং গুণ ত্বককে আরো ফর্সা করবে।
Share:

যে কাজটি করলে আর কখনোই আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকবে না!

আমাদের দেশে গ্যাস্টিকের সমস্যা নেই এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়াই যাবে না। এই সমস্যাটি মূলত ভাজাপোড়া খাবার খেলেই বেশি হয়ে থাকে। অনেকেরই এ সব খাবার খাওয়ার পরে পেট ব্যথা বা বুকে ব্যথা কিংবা বদ হজম হয়। অথচ এই সমস্যা দূর করার জন্য ওষুধ না খেয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিচের যেকোন একটি নিয়ম মানলেই চলবে।

১। আধা ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা আদা নিন। তারপর অল্প একটু লবন মাখিয়ে খেয়ে ফেলুন। আদা খাওয়ার কিছুক্ষণ পর এক কাপ কুসুম গরম পানি খান। গভীর রাতে আর গ্যস্ট্রিকের সমস্যা হবে না। অথবা,

২। এক গ্লাস পানি একটি হাড়িতে নিয়ে চুলায় বসান। এর আগে এক ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা হলুদ পানিতে দিয়ে দিন। পানি অন্তত পাঁচ মিনিট ফুটতে দিন। তারপর নামিয়ে আনুন। পানি ঠাণ্ডা হলে হলুদসহ খেয়ে ফেলুন। গ্যাস্ট্রিক দৌঁড়ে পালাবে। অথবা,
৩। ওপরের সমস্ত পদ্ধতি ঝামেলার মনে হলে শুধুমাত্র এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করুন। কখনোই রাতে পেট বা বুক ব্যথা করবে না।
Share:

একা থাকাবস্থায় হার্ট অ্যাটাক হলে দ্রুত এই ৪টি কাজ করুন

হার্টে যে কোন সময় সমস্যা দেখা দিতে পারে। বর্তমানে আমাদের দেশের জনসংখ্যার একটা বড় অংশ হার্ট সমস্যায় ভুগছেন। যতো দিন গড়াচ্ছে ততই এই রোগটি যেন মাথা চাঁড়া দিয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞরা বলছে, আগামী ২০৫০ সাল নাগাদ শুধু উন্নত বিশ্ব নয়, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতেও হার্টের রোগী এতো পরিমাণে বাড়বে যে, প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনের হার্টের সমস্যা থাকবে।

তাই আমাদের প্রত্যেকেরই খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি কায়িক পরিশ্রমের দিকেও নজর দিতে হবে। তাছাড়া হার্ট অ্যাটাক হলে প্রত্যেকেরই কিছু প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কেও ধারণা থাকা দরকার। আপনি একা থাকা অবস্থায় যদি আপনার হার্ট অ্যাটক হয় কিংবা অন্য যে কোন সময় যদি হার্ট অ্যাটাক হয় তাহলে আপনি কি করবেন? নিচের বর্ণনা থেকে জেনে নিন এর বিস্তারিত-

অ্যাটাকের সাধারণ লক্ষণ বুকের বাম দিকের একেবারে মাঝে প্রচণ্ড যন্ত্রণা হয়। হার্ট অ্যাটাকের এটাই সবচেয়ে প্রাথমিক লক্ষণ। সাধারণভাবে প্রায় ২০ মিনিট ব্যথা থাকে। ধীরে ধীরে তা উপরে বাম দিকের হাত ও কাঁধের সংযোগস্থল, ঘাড় ও চোয়ালে ছড়িয়ে পড়ে। প্রচণ্ড ঘাম হওয়া এ সময় প্রচণ্ড ঘাম হয় ও ধীরে ধীরে চারদিক অন্ধকার মনে হতে থাকে। একা থাকলে এমন লক্ষণ বুঝলে কখনই অবহেলা করবেন না। তাই পরিচিতদের খবর দিয়ে রাখুন। হার্টের রোগীরা সবসময় অ্যাম্বুলেন্সের মতো জরুরি পরিসেবার নম্বর হাতের কাছে রাখবেন। বাইরে রাস্তায় থাকলে সঙ্গে সঙ্গে পাশের কারও সাহায্য নিন।
১। অ্যাসপিরিন সঙ্গে রাখুন হার্ট অ্যাটাকের সময় অ্যাসপিরিন নিলে অনেকটা উপকার হয়। একা থাকা অবস্থায় অ্যাসপিরিন নিলে প্রাথমিক অবস্থায় অনেকটা সমস্যা কাটিয়ে ওঠা যায়।

২। জোরে শ্বাস নিন বহুকাল ধরেই এই ব্যাপারটি চলে আসছে। চিকিৎসকরাও জানিয়েছেন, জোরে জোরে শ্বাস নিলে হার্ট অ্যাটাকের সময় অনেকটা উপকার হয়।

৩। বুকে চাপ দিন হার্ট অ্যাটাকের সময় চিকিৎসকরা অনেক সময়ে দুই হাত দিয়ে হার্টের উপরে চাপ দেন, যাতে হৃকম্পনের স্বাভাবিক গতি ফিরে আসে। বাড়িতে একা অবস্থায় নিজে থেকে এই পদ্ধতির ব্যবহার করা যেতে পারে।

৪। কাশতে থাকা পুরনো হলেও এই টোটকা দারুণ কাজে দেয়। যদিও বৈজ্ঞানিকভাবে এর কোনো ব্যাখ্যা নেই। তবে অনেক সময় হার্টের সমস্যায় জোরে জোরে কাশলে কোনো জায়গায় সামান্য ব্লক থাকলে তা খুলে যায়।
Share:

চিরতরে ঘাড়ের কালো দাগ দূর করুন সহজ ৫টি ঘরোয়া উপায়ে!

ঘাড়ের ত্বকে কালো দাগ। যা খুব অস্বস্তিকর এবং বিব্রতকর। এটি ত্বকের পিগমেনশন ডিসর্ডারের কারণে হয়ে থাকে। এটি ছোঁয়াচে রোগ নয়। বিভিন্ন কারণে ঘাড়ে কালো দাগ পড়তে পারে। ডায়াবেটিস, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম, স্বাস্থ্যবিধি না মানা, হঠাৎ করে ওজন বৃদ্ধি পাওয়া বা কমে যাওয়া, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি ইত্যাদি এর মধ্যে অন্যতম। ঘাড়ের এই কালো দাগ দূর করতে ঘরোয়া কিছু উপায় বেশ কার্যকর। আসুন সেই জাদুকরী উপায়গুলো জেনে নিই।

১। লেবুঃ ১ চা চামচ লেবুর রস এবং ১ চা চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। এটি তুলোর বল অথবা আঙ্গুল দিয়ে ঘাড়ে ম্যাসাজ করে লাগান। এটি সারা রাত রাখুন। পরের দিন পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন এক মাস এটি ব্যবহার করুন। আপনি চাইলে সারা রাত না রেখে কয়েক ঘন্টা রেখে ধুয়ে ফেলতে পারেন। তবে ভাল এবং দ্রুত ফল পেতে সারা রাত রাখুন। এছাড়া লেবুর রস এবং এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট ঘাড়ে ম্যাসাজ করে লাগান। কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

২। টকদইঃ ১/২ কাপ টক দই এবং ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে ঘাড়ে ভাল করে লাগান। ১৫-২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন ব্যবহার করুন। এছাড়া টকদই, হলুদ গুঁড়ো এবং কুসুম গরম পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার এটি ঘাড়ের ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ১৫-২৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে এটি ঘাড়ের কালো দাগ দূর করে দিবে।
৩। শসা: শসার রস অথবা শসার পেস্ট ঘাড়ে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করে লাগিয়ে রাখুন। এরপর এটি ঠান্ডা পানি অথবা গোলাপ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। শসার রস এবং লেবুর রস মিশিয়ে তুলোর বলে লাগিয়ে ঘাড়ে ১০ মিন্ট ম্যসাজ করুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন করুন। কয়েক মাস যতদিন ঘাড়ে দাগ দূর না হয় ততদিন এটি ব্যবহার করুন।

৪। বেসন: বেসন ত্বকের বেশ ভাল পরিষ্কারক। বেসন, এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো এবং পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি ঘাড়ের কালো দাগের উপর লাগিয়ে আধা ঘন্টা অপেক্ষা করুন। তারপর স্কার্ব করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

এছাড়া বাদাম তেল এবং ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে ঘাড়ে ম্যাসাজ করে নিতে পারেন। এটিও ঘাড়ের কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করবে।
Share:

ডিমের খোসা ফেলে দিচ্ছেন? জেনে নিন ৭টি অসাধারণ ব্যবহার

প্রোটিনের প্রধান উৎস হিসেবে প্রথম সে খাবারটির নাম আসে তা হল ‘ডিম’। বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন একটি করে ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এই ডিমের খোসাটি আপনি কী করেন? ফেলে দিন নিশ্চয়ই? কিন্তু আপনি জানেন কি, এই ফেলনা ডিমের খোসার যে রয়েছে অসাধারণ কিছু ব্যবহার? মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করার সাথে সাথে ত্বকের যত্নেও ব্যবহার করা যেতে পারে ডিমের খোসা। কি, অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই। জেনে নিন ডিমের খোসার ভিন্ন কিছু ব্যবহার।

১। দ্রুত জয়েন্টের ব্যথা উপশম করতে:- একটি পাত্রে অ্যাপল সাইডার ভিনেগার এবং একটি ডিমের খোসা ভেঙ্গে গুঁড়ো করে নিন। এবার এটি রেখে দিন যতদিন পর্যন্ত না ডিমের খোসাগুলো ভিনেগারের সাথে মিশে না যায়। মোটামুটি ২ দিন রেখে দিলে ডিমের খোসাগুলো ভিনেগারের সাথে মিশে যাবে। ডিমের খোসায় কোলাজেন, গ্লুকোসামিন, হায়ালুরোনিক অ্যাসিড থাকে যা ভিনেগারের সাথে মিশে ব্যথা উপশম করে দেয়। ব্যথার স্থানে এই মিশ্রণটি ম্যাসাজ করে লাগান।

২। মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি:- ডিমের খোসায় প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং মিনারেল রয়েছে যা আপনার বাগানের উর্বরতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। ডিমের খোসা গুঁড়ো করে নিন এবার এটি মাটিতে ব্যবহার করুন।

৩। বাসন-পত্র পরিষ্কার করতে:- অনেকসময় খাবার রান্না করতে গিয়ে হাঁড়ি পাতিলের নিচে লেগে যায়। এই পোড়া দাগ দূর করতে ডিমের খোসা সাহায্য করবে। ডিশ ওয়াশারের সাথে ডিমের খোসা গুঁড়ো করে মিশিয়ে নিন। এবার এটি হাঁড়ি পাতিল পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহার করুন, দেখবেন পোড়া দাগ খুব সহজে দূর হয়ে গেছে।

৪। কফি মিষ্টি করতে:- কফির তেতো স্বাদের কারণে অনেকেই এটি খেতে চান না। এই তেতো স্বাদ দূর করার জন্য কিছু পরিমাণে ডিমের খোসা গুঁড়ো করে কফির সাথে মিশিয়ে দিন। ডিমের খোসা কফির নিচে পড়ে থাকবে আর কফির তেতো স্বাদ দূর করে দিবে।
৫। পোকামাকড় এবং বালাই দূরে রাখতে:- আপনার প্রিয় বাগানকে পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে ডিমের খোসা! বাগানে চারপাশে ডিমের খোসা গুঁড়ো করে ছড়িয়ে দিন। এমনকি গাছের গোড়ায় ডিমের খোসা গুঁড়ো করে দিয়ে রাখতে পারেন। এতে আপনার গাছ পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা পাবে।

৬। ময়লা জমে যাওয়া ড্রেন পরিস্কার করতে:- অনেক সময় রান্না ঘরের সিঙ্ক এ ময়লা জমে বন্ধ হয়ে যায়। এই সমস্যা করে সমাধান করে দিবে ডিমের খোসা। ডিমের খোসা মিহি গুঁড়ো করে জমা ড্রেনের মধ্যে দিয়ে দিন। তারপর বেশি করে পানি ঢেলে দিন। দেখবেন ড্রেন পরিষ্কার হয়ে গেছে।

৭। ত্বক পরিষ্কার করতে:- ১টি ডিমের সাদা অংশ, এবং এক বা দুটি ডিমের খোসা গুঁড়ো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এটি ত্বকে ব্যবহার করুন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। আর দেখুন ত্বক কেমন নরম কোমল হয়ে গেছে। এখন ডিম খেয়ে আর খোসাটুকু ফেলে দিবেন না, সেটি ব্যবহার করুন ঘরের বিভিন্ন কাজে।
Share:

এবার চিরকালের জন্য কোমরের ব্যথা দূর করার জাদুকরি উপায় জেনে রাখুন !

কোমর ব্যথার সমস্যায় কমবেশি সকলেই ভুগে থাকেন। তবে মহিলারা বেশি কোমর ব্যথায় বেশি ভোগেন। প্রথম থেকে কোমরের ব্যথা নির্মূল করতে না পারলে রোগীকে ভবিষ্যৎ এ বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে। একটি উপায়ে খুব সহজে এই ব্যথা উপশম করা সম্ভব। আসুন জেনে নিই কোমর ব্যথা দূর করার জাদুকরি উপায়টি।

কেন হয় কোমর ব্যথা?
  • ভারী বস্তু তোলার কাজ করলে।
  • কোমরে চোট পেলে।
  • অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করলে।
  • পা পিছে কোথাও পড়ে গেলে।
  • নিয়মিত গাড়ি চালালে।
  • সাধারণত কুঁজো হয়ে হাঁটলে বা বসলে।
  • গর্ভধারণ সময়ে।
  • হঠাৎ কোনো কারণে হাড়, মাংসপেশি, স্নায়ু—এই তিনটি উপাদানের সামঞ্জস্য নষ্ট হলে।
এই কোমর ব্যথা খুব সহজে দূর করা সম্ভব। আদা যে কোনো ব্যথা কমাতে সক্ষম। আদার মাধ্যমেই দূর করে দিতে পারবেন এই সমস্যা। আসুন জেনে নিই এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী আদা পানি বানানোর প্রক্রিয়াটি।
যা যা লাগবে
  • আদা
  • পরিষ্কার পাতলা কাপড়
  • গরম পানি
কিভাবে তৈরি করবেন:- প্রথমে আদা কুচি করে ফেলুন। এরপর আদা কুচিগুলো পাতলা কাপড়ে রাখুন। কাপড়টির মুখ সুতা বা রশি দিয়ে বন্ধ করে দিন। একটা পুটলি বানিয়ে ফেলুন। এবার চুলায় পানি গরম করতে দিন। এই পানির মধ্যে আদার পটলিটা চিপে রস পানিতে দিন। রস ভাল করে চিপে ফেলার পর আদার পুটলিটা পানির মধ্যে দিয়ে দিন।

এবার একটি কাপড় গরম আদা পানিতে চুবিয়ে নিন। এবার কাপড়টি থেকে ভাল করে পানি চিপড়িয়ে ফেলুন। এই আদা পানিতে চুবানো কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রাখুন। লক্ষ্য রাখবেন কাপড়টা যেন খুব বেশি মোটা না হয়।

সারা রাত কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন। সারা রাত সম্ভব না হলে কয়েক ঘণ্টা এটি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন। দেখবেন কোমর ব্যথা গায়েব হয়ে গেছে। এটি আপনাকে দীর্ঘমেয়াদি আরাম দেবে।
Share:

পাইলসে ভুগছেন!!তবে সারিয়ে তুলুন এক নিমিষেই?? টিপসটি জেনে নিন

পাইলস বা হেমোরয়েড খুব পরিচিত একটি রোগ। প্রায় ঘরে এই রোগ হতে দেখা দেয়। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫% মানুষ এই রোগে ভুগে থাকেন। বিশেষত ৪৫ থেকে ৬৫ বয়সী মানুষেরা এই রোগে বেশি ভুগে থাকেন। বর্তমান সময়ে সব বয়সী মানুষের এই রোগ হতে দেখা দেয়। মলদ্বারে যন্ত্রণা, রক্ত পড়া, মলদ্বার ফুলে যাওয়া, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি পাইলসের সাধারণ সমস্যা।

পারিবারিক ইতিহাস, কোষ্ঠকাঠিন্য, কম ফাইবারযুক্ত খাবার, স্থূলতা, শারীরিক কার্যকলাপ, গর্ভাবস্থায়, এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে অথবা বসে থাকা ইত্যাদি কারণে পাইলস দেখা দেয়। সাধারণত ওষুধ, অপারেশন পাইলসের চিকিৎসা হয়ে থাকে। এর সাথে কিছু ঘরোয়া উপায় এই সমস্যা সমাধান করা যায়।

১। বরফ ঘরোয়া উপায়ে পাইলস নিরাময় করার অন্যতম উপায় হল বরফ। এটি রক্তনালী রক্ত চলাচল সচল রাখে এবং ব্যথা দূর করে দেয়। একটি কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ পেঁচিয়ে ব্যথার স্থানে ১০ মিনিট রাখুন। এটি দিনে কয়েকবার করুন।
২। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার একটি তুলোর বলে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে ব্যথার স্থানে লাগান। শুরুতে এটি জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করবে, কিছুক্ষণ পর এই জ্বালাপোড়া কমে যাবে। এটি দিনে কয়েকবার করুন। অভ্যন্তরীণ হেমোরয়েডের জন্য এক চা চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে নিন। এটি দিনে দুইবার পান করুন। এরসাথে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিতে পারেন।

৩। অ্যালোভেরা বাহ্যিক হেমোরয়েডের জন্য অ্যালোভেরা জেল আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করে লাগান। এটি জ্বালাপোড়া দূর করে ব্যথা কমিয়ে দেবে। আভ্যন্তরীণ হেমোরয়েডের ক্ষেত্রে অ্যালোভেরা পাতার কাঁটার অংশ কেটে জেল অংশটুকু একটি প্ল্যাস্টিকের প্যাকেটে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এবার এই ঠান্ডা অ্যালোভেরা জেলের টুকরো ক্ষত স্থানে লাগিয়ে রাখুন। এটি জ্বালাপোড়া, ব্যথা, চুলকানি দূর করে দেবে।

৪। অলিভ অয়েল প্রতিদিন এক চা চামচ অলিভ অয়েল খান। এটি দেহের প্রদাহ হ্রাস করে এবং মোনোস্যাচুরেটেড চর্বি উন্নত করে থাকে। এছাড়া কিছু বরই পাতা গুঁড়ো করে অলিভ অয়েলের সাথে মিশিয়ে নিন। এটি আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করে লাগান। এটি ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে।

৫। আদা এবং লেবুর রস ডিহাইড্রেশন হেমোরয়েডের অন্যতম আরেকটি কারণ। আদাকুচি, লেবু এবং মধু মিশ্রিত জুস দিনে দুইবার পান করুন। এটি নিয়মিত পান করুন। এটি শরীর হাইড্রেটেড করে পাইলস দূর করে দেয়। এছাড়া দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করুন।

তবে পাইলসের সবচেয়ে ভালো ট্রিটমেন্ট রয়েছে হোমিওতে। তাই এই রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করতে রেজিস্টার্ড একজন হোমিও ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। 
Share:

মাথায় টাক পড়ে যাচ্ছে? জেনে নিন ৪টি সহজ সমাধান

ছেলেরা বরাবরই শরীরের যত্নের ব্যাপারে উদাসীন। সেই সাথে চুল ও ত্বকের ব্যাপারেও। সপ্তাহে ১ টি দিনও তেল দেয়া কিংবা শ্যাম্পু করা হয়ে ওঠে না অনেকেরই। কিন্তু এতে করে মাথার ত্বক এবং চুলের ফলিকলের অনেক ক্ষতি হয়। যার ফলে চুল পড়া শুরু হয় যা শেষ পর্যায়ে টাকে গড়ায়। তাই ছেলেদের কিছু যত্ন নেয়া উচিৎ চুলের প্রতি এই টাক থেকে মুক্তি পেতে চাইলে।

চলুন তবে দেখে নেয়া যাক কম সময়ে টাকের সমস্যা থেকে মুক্তি ও নতুন চুল গজানোর কিছু টিপস।

অলিভ অয়েল, মধু ও দারুচিনির হেয়ার মাস্ক: চুলের ঘনত্ব ও দৈর্ঘ্য অনুযায়ী অলিভ অয়েল গরম করে নিন। এরপর এতে ১-২ চা চামচ মধু এবং ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো দিয়ে খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই হেয়ার মাস্ক চুলের গোঁড়ায় মাথার ত্বকে ভালো করে লাগান। ১৫-২০ মিনিট চুলে রাখুন। এরপর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে চুলের গোঁড়া মজবুত হবে এবং টাক পড়ার সম্ভাবনা একেবারেই কমে যাবে।
মেহেদী এবং সরিষার তেলের হেয়ার মাস্কঃ এই মাস্কটি তৈরি করতে লাগবে মেহেদী পাতা ১০০ গ্রাম এবং সরিষার তেল ২৫০ গ্রাম। একটি প্যানে সরিষার তেল ঢেলে গরম হতে দিন। এরপর এতে মেহেদী পাতাগুলো দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। ৫-৭ মিনিট ফুটিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে তেল ঠাণ্ডা হতে দিন। মেহেদী পাতা ছেঁকে নিয়ে এই তেল চুলের গোঁড়ায়, মাথার ত্বকে ভালো করে লাগান। ১ ঘণ্টা বাদে চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। বেঁচে যাওয়া বাকি তেলটুকু বোতলে ভরে রেখে দিন। এই মাস্কটি প্রতিদিন ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।

জবা ফুল ও লেবুর রসের হেয়ার মাস্কঃ ১ গ্লাস পানি একটি পাত্রে নিয়ে ফুটতে দিন। পানি ফুটে উঠলে এতে ২ টি জবাফুল দিয়ে ৩/৪ মিনিট আরও ফুটিয়ে নিন। এরপর পানি ঠাণ্ডা হতে দিন। পানি ঠাণ্ডা হয়ে এলে ছেঁকে নিয়ে এতে কএয়ক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে মিশিয়ে নিন। চুল শ্যাম্পু করে ধোয়ার পর এই মিশ্রণটি যেখানে টাক পড়া শুরু করেছে সেখানে লাগিয়ে রাখুন। জবা ফুলের রস নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে।

নিমপাতার ব্যবহারঃ ৩/৪ গ্লাস পানি নিয়ে এতে ১০/১২ টি নিম পাতা ফুটতে দিন। পানি ফুটে অর্ধেক হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানি ঠাণ্ডা হলে চুল ধোয়ার কাজে ব্যবহার করুন। সপ্তাহে দুবার ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।
Share:

সাম্প্রতিক আপডেট

Latest Stories

Copyright © Ultimate Health Solutions