Showing posts with label নারীদের স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label নারীদের স্বাস্থ্য. Show all posts

যে কাজ করলে স্তনের আকৃতি অনেক বয়স পর্যন্ত সুন্দর থাকে!

বক্ষযুগলকে সুন্দর রাখতে মহিলাদের চেষ্টার অন্ত নেই, অথচ প্রতিনিয়ত তাঁদেরই কিছু ভুলে ক্রমশ সৌন্দর্য হারাচ্ছে শরীরের এই অঙ্গটি। জেনে নিন ৬টি এমন ভুলের কথা, যেগুলোর ফলে আপনার স্তনে পড়ছে বয়সের ছাপ ও নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক আকৃতি ও সৌন্দর্য।

একটি বড় কারণ সঠিক অন্তর্বাস বাছাই করতে না পারা:- সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিসার্চের রিপোর্টে বলা হয়েছে, যারা প্রতিনিয়ত অন্তর্বাস পড়ে থাকেন তাঁদের তুলনায় যেসব নারীরা খুব বেশি অন্তর্বাস পরিধান করেন নি, তাঁদের স্তনের আকৃতি অনেক বয়স পর্যন্তও সুন্দর থাকে। অপর আরেকটি রিসার্চে দেখা যায় যে ভুল মাপের অন্তর্বাস দ্রুত নষ্ট করে ফেলে আপনার স্তনের আকৃতি। অন্তর্বাস হতে হবে সঠিক মাপের। খুব বেশী টাইট বা খুব ঢিলেঢালা, দুটোই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।

আপনি পর্যাপ্ত পানি পান করেন না:- পর্যাপ্ত জল পান না করলে ক্রমশ বয়সের ছাপ পড়ে আপনার ত্বকে এবং ত্বকের চামড়া ঝুলে যেতে থাকে সময়ের অনেক আগেই। এবং হ্যাঁ, শুধু মুখের নয়, সম্পূর্ণ শরীর তথা স্তনের ত্বকেও এর প্রভাব দেখা যায় অত্যন্ত বেশি।

অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে বাঁচুন:- সুতির পোশাক কিংবা পাতলা ফেব্রিক পরতে ভালোবাসেন? জেনে রাখুন, প্রখর সূর্যরশ্মি আপনার মুখের ত্বকের পাশাপাশি সম্পূর্ণ ত্বকেরই ক্ষতি করে। পোশাকে ঢাকা থাকলেও সূর্যের রশ্মি আপনার ত্বকে উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। তাই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলবেন না। বিশেষ করে স্তনের নরম ত্বকে। সূর্যের প্রখর উত্তাপ বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে অনেক ত্বরান্বিত করে দেয়।

আপনি ধূমপান করেন:- ধূমপান মানবদেহের জন্য একটি অভিশাপের নাম এবং নারীদের ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পুরুষের চাইতে অনেকটাই বেশী। ধূমপান আপনার ত্বকের ইলাসটিনকে নষ্ট করে ফেলে, যা ত্বকে টানটান ভাব ও তারুণ্য ধরে রাখে। ফলে আপনাকে দেখায় অনেক বেশী বয়স্ক। ধূমপায়ী নারীদের স্তনের আকৃতি ও সৌন্দর্য দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।
আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে নেই:- ওজন কমানো ভালো, তবে ওজন কমে যাওয়ার প্রভাব সবার আগে পড়ে আপনার স্তনের উপর। কেননা স্তন তৈরি মূলত ফ্যাট সেল দিয়ে, তাই ওজন কমলে প্রথমেই স্তনে এর প্রভাব দেখা যায়। আপনি যখন বেশি মোটা হন, ত্বকে স্ট্রেচ হতে হতে ইলাসটিসিটি হারিয়ে ফেলে। পরে পরবর্তীতে আপনি যখন স্লিম হয়ে যায়, তখন স্তন ঝুলে যায়। দ্রুত ওজন না কমিয়ে ধীরে সুস্থে কমাতে হবে এবং ওজন খুব দ্রুত ওঠানামা করতে দেয়া যাবে না। অল্প অল্প করে ওজন কমালে স্তনের আকৃতি অনেকটাই কম নষ্ট হবে।
Share:

নরমাল ডেলিভারি চান? তাহলে জেনে নিন গর্ভাবস্থায় আপনাকে কি করতে হবে!

প্রেগন্যান্সি গ্লো-তে এখন চকচক করছে আপনার চোখ, মুখ। মা হওয়ার অনুভূতি সব সময় আনন্দে রাখছে আপনাকে। চিন্তা শুধু একটা বিষয় নিয়েই। নরমাল ডেলিভারি হবে তো? নাকি সেই কাঁটাছেঁড়ার মধ্যে দিয়েই যেতে হবে?

চিন্তা করবেন না। যদি আপনার বড়সড় কোনও জটিলতা না থাকে তবে গর্ভাবস্থায় কিছু জিনিস মেনে চললেই স্বাভাবিক ভাবে সন্তানের জন্ম দিতে পারবেন।

ডায়েট:- আপনি প্রেগন্যান্ট জানার পর থেকে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ডায়েট মেনে চলুন। স্বাস্থ্যকর খাবার, টাটকা ফল ও শাক-সবজি প্রচুর পরিমাণে খান। সেই সঙ্গেই জোর দিন আয়রন, ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের উপর। নিয়মিত মাল্টিভিটামিন খান। শরীরের পেশি যত শিথিল থাকবে, তত নরমাল ডেলিভারির সম্ভাবনা বাড়বে।

অ্যাকটিভ লাইফস্টাইল:- অনেকে প্রেগন্যান্সির গোটা সময়টাই শুয়ে বসে কাটিয়ে দেন। এটা একেবারেই উচিত্ নয়। যদি চিকিত্সক আপনাকে বেড রেস্টে থাকতে না বলেন, এবং অন্য কোনও জটিলতা না থাকে তাহলে সচল থাকুন। বাড়ির হালকা কাজকর্ম করুন। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে যোগাসন বা হালকা ব্যয়াম করুন। সকাল, সন্ধে হাঁটতে যান। এতে ওজন কম থাকবে, শরীর সুস্থ থাকবে, নরমাল ডেলিভারির চান্সও বাড়বে।
পানি:- শরীরে ফ্লুইড চলাচল ভাল হওয়ার জন্য জল খাওয়া খুব জরুরি। এতে রক্ত চলাচল ভাল হয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হয় না। কাজেই জল বেশি খেলে ডেলিভারিও অনেক সহজ হবে। গর্ভাবস্থায় প্রতি দিন ৮ থেকে ১০ গ্লাস জল খান।

স্ট্রেস:- নরমাল ডেলিভারির জন্য শরীর সুস্থ, ঝরঝরে রাখা প্রয়োজন। স্ট্রেস বাড়লেই শরীর খারাপ হবে। নিজেকে সব সময় খুশি রাখুন। প্রয়োজনে মনোবিদের কাছে যান। প্রেগন্যান্সি মাসাজ নিলেও স্ট্রেস কমে।

জন্মের পরিকল্পনা:- গর্ভাবস্থার শুরুতেই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে পরিকল্পনা করে নিন। আপনার সমস্যার কথা খুলে বলুন। ডাক্তারের নির্দেশ, নিয়ম মেনে চলুন। এতে চিন্তা কম হবে। গোটা ব্যাপারটাই অনেক সহজ হয়ে যাবে।

অভিভাবকদের ক্লাস:- বাচ্চার জন্মের আগে বাড়ির কাছেপিঠে কোনও পেরেন্টাল ক্লাসে যান। এই সব ক্লাসে কীভাবে সহজে, কম কষ্টে ও কম সময়ে বাচ্চার জন্ম দেওয়া যাবে শেখানো হয়।

কার্যকর হোমিও ট্রিটমেন্ট :- নির্দিষ্ট কিছু হোমিও ঔষধ রয়েছে যা নিয়মিত সেবনে নরমাল ডেলিভারি নিশ্চিত হয়। আর এর জন্য বচ্চা পেটে আসার সাথে সাথেই রেজিস্টার্ড হোমিও ডাক্তারের পরামর্শক্রমে নিয়মিত ঔষধ খেয়ে যেতে হবে। 
Share:

সিজার করা ভালো নাকি নরমাল ডেলিভারি ভালো? জেনে নিন!

আজকাল সিজার করানো খুব সাধারণ একটি ব্যাপার, কিন্তু এটা একটা বড় অপারেশন তাই এর নিজস্ব কিছু ঝুঁকি থাকে। এজন্য চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণ ছাড়া ডাক্তার সিজারিয়ান করানোর পরামর্শ দেননা। গর্ভাবস্থায় কোন জটিল সমস্যা যদি সৃষ্টি না হয় তাহলে ভ্যাজাইনাল বার্থ বা নরমাল ডেলিভারি নিরাপদ। নরমাল ডেলিভারি শুধু বর্তমান গর্ভাবস্থার জন্যই ভালো নয় বরং পরবর্তীতে গর্ভধারণের জন্যও ভালো।

কখনো কখনো মা ও বাচ্চার জীবন রক্ষার্থে সিজারিয়ান করতে হয়, সেই পরিস্থিতিতে প্রশ্নাতীত ভাবেই সিজারিয়ান করানোটা হচ্ছে সবচেয়ে নিরাপদ।

পরিকল্পিত সিজারিয়ানে মায়ের সুবিধা সমূহ-
  • প্রসব বেদনা সহ্য করতে হয়না।
  • অনেক বেশি রক্তক্ষরণ হয়না।
  • ভ্যাজাইনাল ইনজুরি হয়না।
পরিকল্পিত সিজারিয়ানে মায়ের অসুবিধা সমূহ-
  • অনেকদিন হাসপাতালে থাকতে হয়।
  • শিশুর জন্মের পরও ব্লিডিং হলে অনেক ক্ষেত্রে গর্ভ অপসারণ করে ফেলতে হয় একে হিস্টেরেক্টমি বলে।
  • হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে।
  • ইউটেরাইন ইনফেকশন এর ঝুঁকি বাড়ে।
  • অপারেশনের পরে ব্যাথা হয় যা প্রায় কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
  • পরবর্তীতে সন্তান ধারণের সময় এক্টোপিক বা টিউবাল প্রেগনেন্সি, প্লাসেন্টা প্রিভিয়া, প্লাসেন্টা অ্যাক্রিটা এবং প্লাসেন্টাল অ্যাবরাপশন এর সমস্যাগুলো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
পরিকল্পিত সিজারিয়ানে বাচ্চার অসুবিধা সমূহ-
  • ইন্টেন্সিভ কেয়ার ইউনিটে রাখতে হয়।
  • শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা থাকে।
  • ব্রেস্ট ফিডিং এর অভ্যাস গড়ে উঠতে দেরি হয়।
সিজারিয়ান Cesar করানো মায়েদের মধ্যে বাচ্চাকে ব্রেস্ট ফিডিং এ সমস্যা হতে পারে।
এবার আমরা জানবো প্রাকৃতিক প্রসবের সুবিধা ও অসুবিধা গুলো কি কি –
  • ভেজাইনাল বার্থ বা নরমাল ডেলিভারি অস্বস্তিকর ও কষ্টকর।
  • নরমাল ডেলিভারি normal delivery নোংরা মনে হতে পারে। শরীর থেকে অনেক ঘাম, অ্যামনিওটিক তরল, রক্ত এবং বাচ্চার জন্মের পর প্লাসেন্টা বা নাড়ি বের হয়।
  • ভ্যাজাইনাল ইনজুরি হতে পারে। অনেক সময় সেলাই লাগতে পারে।
  • নরমাল ডেলিভারি হলে মা কয়েক ঘন্টা পরই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে এবং কয়েক দিনের মধ্যেই স্বাভাবিক কাজ শুরু করতে পারে।
  • ভালোভাবে বাচ্চার baby জন্ম হয়ে গেলে বাচ্চা শান্ত থাকে।
  • বাচ্চার জন্মের পর মা শারীরিক ও মানসিক শক্তি লাভ করে। এর মাধ্যমে সে শান্তি ও অর্জনের বিস্ময়কর অনুভূতি পায়।
  • বাচ্চার জন্মের পর বাচ্চাকে সাথে সাথেই শাল দুধ খাওয়ানো সহজ হয় ফলে মা ও বাচ্চার সম্পর্ক দৃঢ় হয়।
  • নরমাল ডেলিভারিতে বাচ্চাকে যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জন্ম নিতে হয় তাঁতে বাচ্চার ফুসফুস শ্বাস প্রশ্বাস নেয়ার জন্য প্রস্তুত ও শক্তিশালী হয়।
সফল ভাবে বাচ্চা প্রসবের জন্য যে কাজ গুলো করা প্রয়োজন এবং যে কাজ গুলো করা ঠিক না সেগুলো জেনে নেই আসুন।

১। প্রাকৃতিক ভাবে বাচ্চা প্রসবের জন্য একজন স্বাস্থ্য কর্মী বা ধাত্রীর প্রয়োজন। সান ফ্রান্সিস্কো এর ওয়াইজওমেনচাইল্ডবার্থ.কম এর সারটিফাইড প্রফেশনাল মিডওয়াইফ, লাইসেন্সড মিডওয়াইফ মারিয়া লরিলো পরামর্শ advise দেন, “প্রাকৃতিক ভাবে বাচ্চা প্রসবের জন্য একজন ডাক্তার বা দাই এর ব্যবস্থা করতে হবে যিনি পুরো বিষয়টাকে সুন্দর ও সফল ভাবে সম্পন্ন করাতে পারবেন”।

২। প্রসবের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিষ গুলো জীবাণু মুক্ত করে নিতে হবে।

৩। বিজ্ঞানীদের মতে সদ্যজাত বাচ্চার নাড়ীতে প্রচুর আয়রন থাকে যা জন্মের কয়েক মাসের মধ্যে বাচ্চার শরীরে উৎপন্ন হয়না। তাই জন্মের অন্তত ২ মিনিট পরে নাড়ী কাটা ভালো যাতে শিশু অনেক বেশি আয়রন নিয়ে নিতে পারে।

৪। জন্মের সাথে সাথে বাচ্চাকে দূরে সরিয়ে না নিয়ে মায়ের বুকে নিলে বন্ধন দৃঢ় হয়।

৫। জন্মের পরপর বাচ্চাকে শাল দুধ খাওয়াতে হবে। বাচ্চাকে বুকের দুধ দিলে বাচ্চা এবং মা উভয়ের জন্যই ভালো। বুকের দুধ বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে এবং মাকে দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে, বাচ্চা ও মায়ের বন্ধন দৃঢ় হয়।

৬। বাচ্চার জন্মের ব্যাপারে ভয়ংকর কিছু হতে পারে বা হয়েছে এমন কারো গল্প শুনবেন না বরং সব সময় ইতিবাচক ভাবে চিন্তা করুন।

যুক্তরাজ্যের National Institute for Clinical Excellence এর মতে, ‘সকল মহিলাদেরই অধিকার আছে বাচ্চার জন্মের পদ্ধতির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার। কিন্তু তাঁদের এই সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যাপারে তাঁদেরকে সাহায্য করার জন্য সঠিক পরামর্শ দেয়াও জরুরি’। মহিলাদের জন্য বাচ্চার জন্মের দিনটা অনেক মোহনীয় ও স্মরণীয় একটি দিন। প্রসব বেদনা নিঃসন্দেহে অনেক বেশি কষ্টের কিন্তু মা যখন তাঁর সদ্যজাত সন্তানের মুখ দেখেন তখন তাঁর সব কষ্ট ভুলে যান।
Share:

যে কাজ করলে স্তনের আকৃতি অনেক বয়স পর্যন্ত সুন্দর থাকে!

ক্ষযুগলকে সুন্দর রাখতে মহিলাদের চেষ্টার অন্ত নেই, অথচ প্রতিনিয়ত তাঁদেরই কিছু ভুলে ক্রমশ সৌন্দর্য হারাচ্ছে শরীরের এই অঙ্গটি। জেনে নিন ৬টি এমন ভুলের কথা, যেগুলোর ফলে আপনার স্তনে পড়ছে বয়সের ছাপ ও নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক আকৃতি ও সৌন্দর্য।

একটি বড় কারণ সঠিক অন্তর্বাস বাছাই করতে না পারা:- সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিসার্চের রিপোর্টে বলা হয়েছে, যারা প্রতিনিয়ত অন্তর্বাস পড়ে থাকেন তাঁদের তুলনায় যেসব নারীরা খুব বেশি অন্তর্বাস পরিধান করেন নি, তাঁদের স্তনের আকৃতি অনেক বয়স পর্যন্তও সুন্দর থাকে। অপর আরেকটি রিসার্চে দেখা যায় যে ভুল মাপের অন্তর্বাস দ্রুত নষ্ট করে ফেলে আপনার স্তনের আকৃতি। অন্তর্বাস হতে হবে সঠিক মাপের। খুব বেশী টাইট বা খুব ঢিলেঢালা, দুটোই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।
আপনি পর্যাপ্ত জল পান করেন না:- পর্যাপ্ত জল পান না করলে ক্রমশ বয়সের ছাপ পড়ে আপনার ত্বকে এবং ত্বকের চামড়া ঝুলে যেতে থাকে সময়ের অনেক আগেই। এবং হ্যাঁ, শুধু মুখের নয়, সম্পূর্ণ শরীর তথা স্তনের ত্বকেও এর প্রভাব দেখা যায় অত্যন্ত বেশি।

অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে বাঁচুন:- সুতির পোশাক কিংবা পাতলা ফেব্রিক পরতে ভালোবাসেন? জেনে রাখুন, প্রখর সূর্যরশ্মি আপনার মুখের ত্বকের পাশাপাশি সম্পূর্ণ ত্বকেরই ক্ষতি করে। পোশাকে ঢাকা থাকলেও সূর্যের রশ্মি আপনার ত্বকে উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। তাই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলবেন না। বিশেষ করে স্তনের নরম ত্বকে। সূর্যের প্রখর উত্তাপ বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে অনেক ত্বরান্বিত করে দেয়।
আপনি ধূমপান করেন:- ধূমপান মানবদেহের জন্য একটি অভিশাপের নাম এবং নারীদের ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পুরুষের চাইতে অনেকটাই বেশী। ধূমপান আপনার ত্বকের ইলাসটিনকে নষ্ট করে ফেলে, যা ত্বকে টানটান ভাব ও তারুণ্য ধরে রাখে। ফলে আপনাকে দেখায় অনেক বেশী বয়স্ক। ধূমপায়ী নারীদের স্তনের আকৃতি ও সৌন্দর্য দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।

আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে নেই:- ওজন কমানো ভালো, তবে ওজন কমে যাওয়ার প্রভাব সবার আগে পড়ে আপনার স্তনের উপর। কেননা স্তন তৈরি মূলত ফ্যাট সেল দিয়ে, তাই ওজন কমলে প্রথমেই স্তনে এর প্রভাব দেখা যায়। আপনি যখন বেশি মোটা হন, ত্বকে স্ট্রেচ হতে হতে ইলাসটিসিটি হারিয়ে ফেলে। পরে পরবর্তীতে আপনি যখন স্লিম হয়ে যায়, তখন স্তন ঝুলে যায়। দ্রুত ওজন না কমিয়ে ধীরে সুস্থে কমাতে হবে এবং ওজন খুব দ্রুত ওঠানামা করতে দেয়া যাবে না। অল্প অল্প করে ওজন কমালে স্তনের আকৃতি অনেকটাই কম নষ্ট হবে।
Share:

যে ৭টি কারণে আপনার গর্ভের শিশুটির ক্ষতি হতে পারে

সন্তান জন্মদান প্রতিটি নারীর জন্য বিশেষ মুহূর্ত। অনাগত সন্তানকে সুস্থ রাখার জন্য প্রতিটি মায়ের থাকে অপ্রাণ চেষ্টা। প্রতিটি মা-ই চান তার সন্তানটি সুস্থ থাকুক। কিন্তু কিছু কাজ আছে যা করে নিজের অজান্তে অনাগত শিশুটির ক্ষতি করে থাকেন মায়েরা। বিশেষজ্ঞরা এমন কিছু কাজ খুঁজে বের করেছেন যা অনাগত শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

১। দূষণ:- গবেষণায় দেখা গেছে যেসকল গর্ভবতী মহিলারা দূষণযুক্ত এলাকায় বেশি সময় কাটিয়ে থাকেন, তারা তুলনামূলকভাবে কম ওজনের শিশু জন্ম দিয়ে থাকেন। এই সমস্যা থেকে বাঁচতে প্রচুর পরিমাণে ফল এবং সবজি খান।

২। প্রচুর কফি পান:- বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে ক্যাফিন আপনার গর্ভপাতের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে থাকে। দিনে দুই কাপের বেশি কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। অতিরিক্ত কফি মায়ের হার্টবিটের হার বৃদ্ধি করে রক্তনালীতে জটিলতা সৃষ্টি করে থাকে। যা আপনার শিশুর উপর প্রভাব ফেলে থাকে।

৩। প্রসেসড খাবার:- প্রসেসড খাবার বিশেষভাবে মাংস গর্ভবতী মহিলার জন্য মারাত্নক ক্ষতিকর। এতে লিসটিরা নামক ব্যাকটেরিয়া রয়েছে যা শিশুর মৃত কারণও হতে পারে। তাই এইসময় প্রসেসড খাবার বিশেষত মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৪। ভিটামিন ডি:- ভিটামিন ডি এর অন্যতম উৎস সূর্য। তবে অনেকই এই সময় ঘরের বাইরে যেতে চান না। অথচ সূর্যের আলোর ভিটামিন ডি অনেক বেশি প্রয়োজন মা এবং শিশুর জন্য। University of Calgary এক সমীক্ষায় দেখেছেন ভিটামিন ডি এর অভাবে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, রক্তচাপ, কম ওজনের শিশু জন্মদান সহ নানা সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।

৫। অ্যান্টিডিপ্রেশন ওষুধ:- গবেষণায় দেখা গেছে গর্ভবতী মহিলাদের একটি বড় অংশই অবসাদ বা বিষন্নতায় ভুগে থাকেন। এই বিষণ্ণতা কাটানোর জন্য অনেক সময় তারা অ্যান্টিডিপ্রেশন ওষুধ খেয়ে থাকেন। এই ওষুধগুলো মেয়ের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। গর্ভপাত, দেরী ডেলিভারী, জন্মগত ত্রুটিসহ নানা সমস্যা হয়ে থাকে।
৬। পরোক্ষ ধূমপান:- ধূমপান সুস্থ মানুষের জন্য ক্ষতিকর। আর তা গর্ভবতী মহিলার জন্য তো আরও বেশি ক্ষতিকর। গর্ভকালীন সময় সেকেন্ড হ্যান্ড ধূমপান বা পাশে থাকা কারো সিগারেট থেকে আসা ধোঁয়াও অনাগত শিশুর জন্য ক্ষতিকর। এতে শিশুর শ্বাসকষ্টের সমস্যা সহ অ্যাজমা সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।

৭। অতিরিক্ত ওজন:- গর্ভকালীন সময় অতিরিক্ত ওজন শিশুর ডায়াবেটিস সহ নানা সমস্যা তৈরি করে থাকে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে গর্ভকালীন সময় অতিরিক্ত মোটা মহিলাদের শিশুর অ্যাজমা বা হাঁপানির সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। ব্যায়াম আপনার সঠিক ওজন ধরে রাখতে সাহায্য করবে। Dr. Jennifer Wu, an OB-GYN at Lenox Hill Hospital in New York এর মতে সপ্তাহে চারবার ২০ মিনিট করে হাঁটুন। এটি আপনার ওজন ঠিক রাখতে সাহায্য করবে।
Share:

যে কারণে সিজার করা হয়

সুস্থ মা সুস্থ শিশু। মায়ের সুস্থতাই নির্ধারণ করবে সন্তানের সুস্থতা। আর সেজন্য দরকার মায়ের সার্বক্ষণিক যত্ন। আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত।বাংলাদেশ তথা এশিয়ার অন্যান্য দেশে সিজার এর মাধ্যমে সন্তান জন্মদানের ব্যাপার টা স্বাভাবিক। বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সিজার এর মাধ্যমে সন্তান জন্মদানের ব্যাপারে সবাই সমর্থন প্রদান করে আসেন।কেননা এতে করে সিজার এর আগে সন্তান জন্মদানকারী মা হাসপাতালে কয়েকদিন পরিচর্যায় থাকেন।

অনেকে ভাবেন সিজার এর মাধ্যমে সন্তান জন্মদান হলে কোন সমস্যা থাকেনা। সন্তানের সুস্থতার বিষয়টি এখানে মুখ্য থাকে।কিন্তু সিজার এর পেছনে রয়েছে এক কঠিন বাস্তবতা। সদ্যজাত সন্তানের সুস্বাস্থ্যের নিশ্চয়তা কিংবা গর্ভধারিণী মায়ের শারীরিক পরিচর্যা নয় মূলত ৩টি কারণে সিজার করাতে মানুষজনকে বাধ্য করা হয়। এগুলো হল-

১. টাকার জন্য।
২. মেডিকেল ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহারিক বা ইন্টার্নি করার জন্য।
৩. প্রাইভেট মেডিকেলে গাইনি ডাক্তাররা সিজার না করালে কর্তৃপক্ষ তাদের হাসপাতালে রাখেন না।


ইউরোপ ও আমেরিকায় সবচেয়ে কম সংখ্যক সিজার অপারেশনের ঘটনা ঘটে। প্রথমত তারা স্বাভাবিক ডেলিভারির সর্বাত্মক চেষ্টা করে। কেউ একেবারে মৃত্যুঝুঁকির দিকে না গেলে তারা সিজার অপারেশনে যায় না। ইতালিসহ ইউরোপের অনেক দেশে ইচ্ছাকৃত সিজার অপারেশনকে বেআইনি হিসেবে গণ্য করা হয়।

একটা নরমাল ডেলিভারির জন্য একজন ডাক্তারকে ২ থেকে ১৮ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়। এর বিনিময়ে সে পায় মাত্র ৮০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা। আর সিজার করলে ২৫-৩৫ মিনিটে পেয়ে যায় ৬ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা। বর্তমান সময়ে সময়ের থেকে এই টাকার গুরুত্ব বেশী।
আর একারণেই হয়তবা স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, 'টাকা কামাইয়ের জন্য চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারে সন্তান প্রসব করাচ্ছে।' সর্বশেষ বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক হেলথ সার্ভে-এর হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ২৩% সিজার অপারেশন হয় এবং এর ৮০% হয় বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে।

সিজার এর সাথে এমন ভন্ডামির যোগসাজশে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন,' ডাক্তারদের তো দমে দমে টাকার আমদানি। তারপরও তারা যদি আমাদের সামনে মিথ্যে অজুহাত দাঁড় করিয়ে টাকা কামানোর ধান্ধা করেন- বলুন তো, আমরা তাহলে কাদের ওপর নির্ভর করব?
Share:

সাম্প্রতিক আপডেট

Latest Stories

Copyright © Ultimate Health Solutions